খোরশেদ আলম ও নিজস্ব প্রতিনিধি:
নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেছেন, ১৯৭১ সালে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের সাথে আঁতাত করেছিলেন।
তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। আর সেই আলোচনার আড়ালেই ২৫শে মার্চের গণহত্যার নীল নকশা তৈরি হয়েছিল। যখন দিশেহারা জাতি অন্ধকার দেখছিল, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
বুধবার বিকেলে সেনবাগ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে ২৫শে মার্চের বর্বরোচিত গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল শাসন কায়েম করেছিলেন এবং সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিলেন। তার কন্যা শেখ হাসিনাও একই পথে হেঁটেছিলেন। কিন্তু ছাত্র-জনতা আজ জেগে উঠেছে। তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় আন্দোলনের মাধ্যমে তারা এই স্বৈরাচারকে দেশছাড়া করেছে।"
জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, "আমি চুরি করব না, কাউকে চুরি করতে দেব না। টাউট-বদমাশ যারা এই সমাজে আওয়ামী লীগ সৃষ্টি করেছে, আমাদেরও কিছু কিছু নেতা তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে আবারও সামনে আনার ব্যবস্থা করছেন। তা বন্ধ করতে হবে। আত্মীয় বুঝি না; ঘরের ছেলে ছাত্রলীগ করে আর উনি পৌরসভার বড় নেতা—এমনটা চলবে না।"
তিনি আরও বলেন, "আজকে আমি শুনছি কোনো কোনো ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের এলাকায় আওয়ামী লীগ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা কারা? আপনাদের আত্মীয়। অনেকে বলেন নিশ্চয়ই তারা আপনাদের আত্মীয়, নইলে মাথাচাড়া দেয় কীভাবে? তবে আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। পুলিশকে জানান; নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কোনো কর্মকাণ্ড এ দেশে চলবে না। যদি আমাদের কোনো নেতা তাদের আশ্রয় দেন, তবে আপনাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি আরো বলেন, "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে যে দেশ স্বাধীন হলো, সেই দেশের ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবসে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের জন্য আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করি।"
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তার হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাহার প্রমুখ।

