ads
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিজয়ী শাহজাহান গেলেন পরাজিত ইসহাক খন্দকারের ঘরে

অনলাইন ডেস্ক

বিজয়ী শাহজাহান গেলেন পরাজিত ইসহাক খন্দকারের ঘরে

বিজয়ী শাহজাহান গেলেন পরাজিত ইসহাক খন্দকারের ঘরে

নিজস্ব প্রতিনিধি:
​ভোটের মাঠের তুমুল লড়াই শেষে নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে দেখা মিলল সম্প্রীতির এক অনন্য দৃশ্য।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার সকালে পরাজিত জামায়াত প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকারের বাসভবনে মিষ্টি নিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. শাহজাহান।

​পরাজিত প্রার্থীর বাসভবনে পৌঁছালে মো. শাহজাহানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইসহাক খন্দকার। দুই নেতা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান এবং বেশ কিছুক্ষণ একান্তে কুশল বিনিময় করেন। রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও এলাকার উন্নয়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের ১৯৮টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষ প্রতীকের মো. শাহজাহান পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট। এ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. শাহজাহান।

সাক্ষাৎকালে মো. শাহজাহান বলেন, নির্বাচন ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, তবে এখন সময় সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার। তিনি রাজনৈতিক ভিন্নতা ভুলে উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়ার আহ্বান জানান।

পরাজিত প্রার্থী ইসহাক খন্দকারও ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবেন তিনি।

এদিকে নেতাকর্মীরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক সৌন্দর্য, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরও পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্য বজায় রাখা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনর রশীদ আজাদ বলেন, নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল ভোটের মাঠ পর্যন্তই। ফলাফল ঘোষণার পর সবাই এখন এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে চান। বিজয়ী প্রার্থীর এই সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরই বহিঃপ্রকাশ।

এই বিভাগের আরও খবর

ads

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ

শিরোনাম