নিজস্ব প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর আন্ডারচর ইউনিয়নে যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের আঘাতে একই ইউনিয়নের ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. ইয়াসিন আরাফাত পাঁচ ঘণ্টা অচেতন ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কথাকাটাকাটির জেরে যুবদল নেতা এনায়েতুল্লাহ ও ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন আরাফাতের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ সময় এনায়েতুল্লাহর করা আঘাত ইয়াসিনের মাথায় লাগলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত এনায়েতুল্লাহর দাবি, ইয়াসিন নিয়মিত একজন ছাত্রলীগ কর্মীকে বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়ে আসতেন, যিনি অতীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও উঠান বৈঠকে হামলার সাথে জড়িত ছিলেন।
তিনি বলেন, “এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ছাত্রলীগের রিয়াজকে লক্ষ্য করে আঘাত করতে গেলে তা অসাবধানতাবশত ইয়াসিনের মাথায় লাগে। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”
তবে রিয়াজের ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রমাণ আছে বলে দাবি করলেও এনায়েতুল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
নোয়াখালী সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি জানান, “ঘটনার বিষয়ে আমরা নিশ্চিতভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। শুক্রবার কম্পিউটার দোকান বন্ধ থাকায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি। আগামীকাল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


