ads
৮ মার্চ, ২০২৬

কিশোর অটোচালক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক

কিশোর অটোচালক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

কিশোর অটোচালক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর চাটখিলে কিশোর অটোরিকশাচালক মো. মাসুম ওরফে বাবু (১৪) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে র‍্যাব। নিখোঁজের দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১১।

​শনিবার (৭ মার্চ) রাত থেকে রোববার (৮ মার্চ) ভোর পর্যন্ত চাটখিলের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১১-এর সিপিসি-৩, নোয়াখালী ক্যাম্প ও জেলা পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ধর্মপুর গ্রামের জালাল আহম্মেদের ছেলে মো. রাজু (৩৫)। একই এলাকার আলী আরশাদের ছেলে মো. রুবেল ওরফে কানা রুবেল (৩২)। সুন্দরপুর গ্রামের মো. মাহাবুবের ছেলে মো. মুন্না (৩৫)।

র‍্যাব সূত্র জানায়, গত ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চাটখিলের দশানী টবগা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন কিশোর মাসুম। পরদিন ছোট জীবননগর এলাকার ওহাব তৈয়বা মেমোরিয়াল হাসপাতালের পাশের একটি সেতুর নিচ থেকে ব্যাটারিবিহীন অবস্থায় মাসুমের অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।

এতে অপহরণ ও হত্যার আশঙ্কা দেখা দিলে পরিবারের পক্ষ থেকে চাটখিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও পরবর্তীতে মামলা করা হয়।
​নিখোঁজের প্রায় এক মাস পর, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের একটি মাছের প্রজেক্টের পাশের জঙ্গল থেকে স্থানীয়রা মাসুমের মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।

মামলার তদন্তে নেমে র‍্যাব গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বিশেষ অভিযান শুরু করে। অভিযানে শনিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে চাটখিল পৌরসভা এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে হটপুকুরিয়া বাজার এলাকা থেকে মুন্নাকে এবং রাত ২টা ১০ মিনিটে ধর্মপুর ছিলার দিঘীর পাড় এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাটখিল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর

ads

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ

শিরোনাম