নিজস্ব প্রতিনিধি:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালানোর প্রায় আট মাস পর অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোয়াখালীর সমন্বিত কার্যালয়।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালী থেকে পাঠানো এক চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ড. মো. ছফিউল্লাহর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ইউজিসির নির্ধারিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
এ ঘটনায় অনুসন্ধানের জন্য সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মো. জাহেদ আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে জানানো হয়।
দুদক চিঠিতে আগামী ৬ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব নথিপত্র জমা দিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। চাহিদাকৃত নথির মধ্যে রয়েছে বিভাগীয় চাহিদাপত্র, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও অনুমোদন, প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ, প্রার্থীদের নম্বর তালিকা, রিজেন্ট বোর্ডের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ অন্যান্য কাগজপত্র।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার তামজিদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “আমরা দুদকের পাঠানো চিঠি পেয়েছি। চিঠিতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার তথ্য চাওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো পাঠাব।”
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২১ জুলাই শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছিল দুদক।