১৫ মার্চ, ২০২৬

জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি:

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য ও শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেল ৫টায় বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার নূর উদ্দীনের বাড়ির সামনে আয়োজিত এ মাহফিলে স্থানীয় আলেম-ওলামা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও এলাকাবাসীসহ জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি নূর উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোশারফ হোসাইন।

বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুরহাট পৌরসভা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা ইয়াকুব হোসাইন এবং মাওলানা আবু ইউসুফ মো. ইয়াকুব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বসুরহাট পৌরসভা ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইউসুফ (বিএসসি)।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, রমজান মাস হলো আত্মশুদ্ধি, সংযম, সহমর্মিতা ও তাকওয়া অর্জনের এক অনন্য সুযোগ। এই মাসের শিক্ষা ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন এবং সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

প্রধান মেহমান মাওলানা মোশারফ হোসাইন বলেন, রমজান মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকতে এবং সমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ করে। রমজানের প্রকৃত শিক্ষা ধারণ করতে পারলে দেশ ও জাতির কল্যাণে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বিশেষ মেহমান মাওলানা হেলাল উদ্দীন বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের আদর্শিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে নিয়মিত অধ্যয়ন, আত্মশুদ্ধি এবং নৈতিক চরিত্র গঠনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। আদর্শ, শৃঙ্খলা ও ত্যাগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির শান্তি, উন্নতি, সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের স্থিতিশীলতা এবং মানুষের নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

মোনাজাত শেষে উপস্থিত সবাই সম্মিলিতভাবে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।