১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয়ে হামলা, অভিযুক্ত জয়নুল আবদিন ফারুকের সমর্থকরা"

স্বতন্ত্র প্রার্থীর কার্যালয়ে হামলা, অভিযুক্ত জয়নুল আবদিন ফারুকের সমর্থকরা"

সেনবাগ প্রতিনিধি:
​নোয়াখালী-২ (সোনাইমুড়ী-সেনবাগ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার জন্য বিএনপি প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের সমর্থকদের দায়ী করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী।
​
​প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে 'কাপ-পিরিচ' প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা কাজী মফিজুর রহমান ভোরের বাজার কার্যালয়ে একটি পথসভা করেন। তিনি সভাস্থল ত্যাগ করার কিছুক্ষণ পরই একদল যুবক লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কার্যালয়ে চড়াও হয়। হামলাকারীরা অফিসের আসবাবপত্রসহ ১৫-২০টি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করে।


​কাপ-পিরিচ প্রতীকের স্থানীয় প্রধান সমন্বয়ক জয়নাল আবদিন অভিযোগ করেন, স্থানীয় যুবক কানন, পলাশ, রকি, বাদশা, গিয়াস উদ্দিনসহ ১০-১৫ জন এই হামলায় অংশ নেয়। তারা সবাই ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের সক্রিয় সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
​

​হামলার বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান বলেন "এলাকার ভোটাররা এবার পরিবর্তনের পক্ষে এবং আমার প্রতীকের জোয়ার দেখে বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এই হামলা চালিয়েছে।আমি বিষয়টি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি।"
​
​সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে ভাঙচুরের আলামত পাওয়া গেছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
​
​উল্লেখ্য, নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপির মূল প্রার্থী সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। অন্যদিকে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হন ব্যবসায়ী নেতা কাজী মফিজুর রহমান। এই আসনে বিএনপির একটি বড় অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় স্থানীয় রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নামায় দলটির অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।