খোরশেদ আলম, সেনবাগ
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ১০-দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত ‘শাপলাকলি’ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া একাধিক নির্বাচনী সমাবেশে যোগদান, গণসংযোগ ও নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেছেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের আয়োজন কমিউনিটি সেন্টারে প্রথম নির্বাচনী সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাস্টার মনির হোসেন।
ছাতারপাইয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ ইয়াছিন করিম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সেনবাগ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল মালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি নুরুল হুদা মিলন, সেনবাগ পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা ইয়াছিন মিয়াজী এবং ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ হারুন প্রমুখ।
এর আগে, শনিবার সকালে উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের মগুয়া এম. এ. আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত পিঠা উৎসবে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগদান করেন সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তারেক মনোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা উত্তর সভাপতি দাউদ ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। উৎসবে মোট ১২টি স্টল স্থান পায়।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সমাবেশ শেষে সন্ধ্যায় পল্লী মঙ্গল এলাকায় একটি নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া। বিকেলে তিনি ইউনিয়নের বসন্তপুর, চিলাদী ও মাহতাবপুর এবং রাতে ছাতারপাইয়া বাজারে গণসংযোগ করেন। এ সময় জামায়াত ও ১০-দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১০-দলীয় জোটের প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া তার বক্তব্যে বলেন, "বিগত জুলাই আন্দোলনের স্পিরিটকে ধারণ করে আগামী নির্বাচনে ১০-দলীয় জোটকে বিজয়ী করতে হবে। জুলাই আন্দোলনে নেতাকর্মীরা যেভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, ঠিক সেভাবেই রাজপথে থেকে প্রার্থীদের বিজয়ী করে তবেই ঘরে ফিরতে হবে।"